মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

উপজেলা প্রানিসম্পদ দপ্তর, ত্রিশাল , ময়মনসিংহে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রমের বিবরণীঃ

প্রজননকারীর নাম

কর্মস্থান

সেবার ধরন

ব্যবহৃত সিমেনের প্রকার

মোবাইল

ডাঃ মোঃ নূরুল ইসলাম

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ত্রিশাল

সরকারী

হিমায়িত

০৯০৩২-৫৬০০৯

কাজল আহমদ

ধাণীখোলা ইউনিয়ন পরিষদ

সরকারী

তরল

 

আমিরুল ইসলাম

কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদ

সরকারী

তরল

 

আকরাম হোসেন

ত্রিশাল,

স্বেচ্ছাসেবী

হিমায়িত

 

কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্য

১. কম সময়ে গরুর জাত উন্নত করা।

২. অধিক কর্মসংস্থানের সুবিধা।

৩. দুধ ও মাংসের ঘাটতি পুরন করা।

৪. আমিষ খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

কৃত্রিম প্রজননের সুবিদা

১. একটি ষাঁড় থেকে প্রতিবারের সংগৃহিত বীর্য প্রক্রিয়াজাত করে ৩০০-৪০০টি গাভীকে প্রজনন করা যায়।

২. গাভীর গর্ভধারনের হার বৃদ্ধি পায়।

৩. বেশি ষাঁড় পোষার দরকার হয়না,ফলে ব্যয় হ্রাস পায়।

৪. ভিন্ন ভিন্ন জাত বা প্রজাতির মধ্যে প্রজনন করে উন্নত জাত তৈরী করা যায়।

৫. উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করে ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

কৃত্রিম প্রজননের অসুবিদা

১. দক্ষ লোক দরকার হয়।

২. সুক্ষ ভাবে গরমের সময় নির্ণয় করতে হয়।

৩.ঠিকমত ষাঁড়ের বীর্য বাছাই নাহলে কৃত্রিম প্রজননের উদেশ্য ব্যহত হয়।

৪. গরম গাভী সনাক্ত কার কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রজননে গাভীর উপযুক্ত সময়

১. দেশী জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ২-২.৫ বছর বয়সে।

২. উন্নত সংকর জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ১.৫-২ বছর বয়সে।

 


Share with :

Facebook Twitter